Spread the love
IMG_20180912_024302
  • “I remember when I first met Shawon, initially I didn’t even notice he was there. He was sitting by himself, working on his laptop, when a moment later, Ayman came up to us with a this skinny, bespectacled boy, with a laptop in his hands. ‘He has something to show you,’ Ayman said. And he (Shawon) showed us the most amazing video he made – using PowerPoint! We were stunned. A few days later, we find out the guy speaks and breathes SEO, knows how to code, a bunch of other fancy stuff. He hasn’t stopped since”

    – Munzereen Shahid,
    Head of HR, 10 Minute School

  • “It’s great to have a go-to person like you, Shawon”

    – Abdullah Abyad Raied,
    CTO, 10 Minute School

  • “Shawon is extremely curious and capable of learning new things. He will never be satisfied with his skill set and push himself to acquire more. That is something I admire the most about him. Also, I have never someone who is as professional as Shawon at such a young age.”

    – Shamir Montazid,
    Chief Operating Officer, 10 Minute School

  • “As a person, Shawon continues to challenge all the common stereotypes our society has about youth, education etc. He has a unique capability to learn and help others learn, whatever be the subject. He doesn’t need a university, he is one himself. Will look forward to this journey with a lot of hope!”

    – Rafsan Sabab,
    International Delegate at Telenor Youth Forum, Fellow at Global Changemakers  

  • “Shawon is a damn  polite and intelligent person I have ever seen, Though as a senior, I learned many things from  Shawon from the very beginning of joining in 10 minute school. .”

    – Sagar Dash,
    Tech Associate, 10 Minute School

ফেসবুক, ইউটিউব এবং ইন্সটাগ্রামে পাওয়া কিছু কমন প্রশ্নের উত্তর!

  • শাওন ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ থেকে ২০১৭ সালে এইচএসসি পাস করে ফুল স্কলারশিপে কম্পিউটার সাইন্সে ভর্তি হয়। তারপর সে একদিন সিলেট থেকে একটি ফোনকল পেয়ে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে প্রশ্ন  করে, “আজ যদি আমার জীবনের শেষ রাত হয়, তাহলে কী আমি নিজের জীবন নিয়ে খুশি?” তারপর শাওন ভার্সিটি থেকে ড্রপআউট হয় এবং ঠিক করে সে তার সারাজীবনকে এমনভাবে কাজে লাগাবে, যেন যে কেউ, যে কোন সময়, যে কোন জায়গা থেকে প্রোগ্রামিং শিখতে পারে। শাওনের এমন আজিগুবি সিদ্ধান্তে শাওনকে কে বাসা থেকে বের করে দেয়া হয়। অতঃপর শাওনকে, আয়মান সাদিক ভাইয়া তার বাসার পঞ্চম সদস্য হিসেবে থাকার ব্যবস্থা করে দেন ওরফে Adopt করেন। শাওন এখন সবচেয়ে কম বয়সী Tech Executive হিসেবে টেন মিনিট স্কুলেই থাকে, খায়, প্রোগ্রামিং শেখায় এবং সময়ে অসময়ে তার মেন্টর টেন মিনিট স্কুলের CTO রাইদ ভাইয়াকে Machine Learning নিয়ে বিরক্ত করে । এছাড়া সে আয়মান সাদিক ভাইয়ার Personal Associate হিসেবে কাজ করছে। সে স্বপ্ন দেখে একদিন বাংলাদেশের সবাই প্রোগ্রামিং পারবে এবং এর জন্য কারো ভার্সিটিতে পড়ার দরকার হবে না।         

  • সার্টিফিকেটে বয়স যখন ১৩, তখন থেকে নিজে নিজে প্রোগ্রামিং শেখা শুরু করে
    শাওন। এরপর ১৬ বছর বয়সে মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্টের উপর অ্যাপস ফেলোশিপ জেতে। এরপর ১৮ বছর বয়স পার করার আগেই ৩ টা আইটি কোম্পানিতে ইন্টার্নশীপ শেষ করে টেন মিনিট স্কুলে আয়মান সাদিক ভাইয়ার কাছ থেকে টেন মিনিট স্কুলের Department of Tech – এ জয়েন করার জন্য সরাসরি অফার লেটার পায়। দুরু দুরু বুকে সেখানে জয়েন করে পেয়ে যায় তার মেলায় হারিয়ে যাওয়া আপন কিছু বড় ভাই – বোনদের, সাথে দায়িত্ব বেড়ে যায় অনেকখানি। এসবের মাঝেই শাওনের চলেছে www.udacity.com থেকে Data Science শেখা, www.skillshare.com থেকে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের খুটিনাটি বোঝা, Udemy থেকে App Development এর টিউটোরিয়াল দেখে কাজ করা, Google Digital Garage থেকে Digital Marketing কিংবা Facebook Blueprint এর ভিডিও গেলা। Stack Overflow এর জন্য Netflix এ Chill করা আর হয়ে ওঠে না শাওনের। রাতে ঘুমানোর সময় দুশ্চিন্তায় চুল পড়ে যাচ্ছে তার এই ভেবে যে, “একদিন তো মরেই যাবো। মরার আগে কিছু শিখে আর শিখিয়ে মরি।”  তারপর আবার সে বিছানা থেকে উঠে পড়াশোনায় মন বসায়  

  • আয়মান সাদিক ভাইয়া, টেন মিনিট স্কুলের CTO রাইদ ভাইয়া এবং সাদমান সাদিক ভাইয়া –  এই তিনজন হচ্ছেন শাওন চৌধুরীর সরাসরি মেন্টর। এই তিনজনের কাছ থেকে পাওয়া শিক্ষা নিয়েই শাওন চলে এবং এই শাওন তার মেন্টরদেরকে নিয়ে অনেক ভাব মারে। শাওন কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সার্টিফিকেট ভিত্তিক পড়াশোনা স্বেচ্ছায় ত্যাগ করেছে। সময়ে অসময়ে সে তার আশেপাশের মানুষদের সরাসরি বা ভিডিওর মাধ্যমে মেন্টরদের কাছ থেকে পাওয়া শিক্ষা ছড়িয়ে দেবার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে।    

  • দুটো কারণে। প্রথমত, শাওন চায়, যে কেউ যেন তাকে এক দেখাতেই মনে রাখতে পারে এই অদ্ভুদ চশমাটা দেখে এবং বাস্তবে এটাই হয়। আর দ্বিতীয়ত, শাওন এই চশমাটা তার মেলায় হারিয়ে যাওয়া বড় বোন Zaima Hamid Zoa আপুর কাছ থেকে গিফট পেয়েছে। আর শাওন তার Zoa আপুর গিফট কোথাও রেখে দেবার চাইতে তার চোখে চোখে রাখতেই বেশী স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। 
    বোনাস কারন – অত্যধিক কম্পিটারের সামনে বসে থাকার কারনে শাওনের চোখের পাওয়ার – 2.75 এবং সে চশমা ছাড়া দূর থেকে দুনিয়ার কোন বড়ই সৌন্দর্য্য দেখিতে পারে না।

  • সার্টিফিকেট অনুযায়ী ২০০০ সালের ২২ সেপ্টেম্বর আমার জন্ম।

Shoot me a message!